+880 XXXX-XXXXXX info@lscr.edu.bd

Lions School and College, Rangpur

EIIN: 127496 | College Code: 5258 | School Code: 5297

লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর

কলেজ শাখার ইতিহাস ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশ

🏛️ ১. কলেজ শাখার সূচনা ও প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষকবৃন্দ

অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: ফজলুর রহমানসহ ১৮ জন শিক্ষক নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কলেজ শাখার পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়।

📜 ২. নামকরণ ও একাডেমিক অগ্রগতি (২০০৩)

প্রতিষ্ঠানটি স্কুল থেকে মহাবিদ্যালয়ে উন্নীত হওয়ার পর, ১৩ এপ্রিল ২০০৩ তারিখে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনক্রমে এর নাম "লায়ন্স কিন্ডার গার্টেন এন্ড হাইস্কুল" পরিবর্তন করে "লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর" রাখা হয়। ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। উল্লেখ্য যে, এসএসসি ২০০১ পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয়ে এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরাও সে বছর এইচএসসি পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়।

🤝 ৩. প্রাথমিক সংকটাপন্ন পর্যায় ও শিক্ষকবৃন্দের অবদান

কলেজ শাখার শুরুর দিকে শিক্ষার্থী সংকটের কারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত বেশ কম ছিল। এই সংকটকালীন সময়ে কলেজ শাখার শিক্ষকগণ শুরুতে বিনা বেতনে এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় যাবৎ মাত্র ৫০০/- টাকা মাসিক ভাতায় দায়িত্ব পালন করেন।

ভর্তি কার্যক্রমের বিশেষ উদ্যোগ: একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষকগণ নিজস্ব উদ্যোগে নীলফামারী ও লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় গিয়ে প্রচার ও ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

🎓 ৪. প্রশাসনিক নেতৃত্ব ও একাডেমিক স্বীকৃতি (২০০৫-২০০৬)

গভর্নিং বডির তৎকালীন চেয়ারম্যান লায়ন প্রফেসর ডা. মো: নাজমুল ইসলামের কার্যকালে, ০২ মে ২০০৫ তারিখে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব ও অভিজ্ঞ প্রফেসর জনাব মো: নিজামুদ্দিন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর কলেজ শাখার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষক প্রতিনিধির সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক যোগাযোগ ও জোর তৎপরতা চালানোর মাধ্যমে ১ জুলাই ২০০৬ তারিখে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের (কলেজ শাখা) আনুষ্ঠানিক একাডেমিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়।

📈 ৫. পাঠদান শাখার সম্প্রসারণ ও শিক্ষার্থী বৃদ্ধি

অধ্যক্ষ জনাব মো: নিজামুদ্দিনের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়। সে সময় এসএসসি পর্যায়ে কেবল বিজ্ঞান ও মানবিক শাখা চালু ছিল এবং পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ জন। পরবর্তীতে, ২০০৮ সালে তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় নবম ও দশম শ্রেণিতে বাণিজ্য শাখা (যা বর্তমানে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা নামে পরিচিত) চালুর অনুমতি লাভ করে। এই নতুন শাখা খোলার পর থেকে স্কুল ও কলেজ উভয় শাখায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।